চাঁদ মনে হয় যেন নিজের সময়সূচী অনুযায়ী আকাশে স্লাইড করে। কখনো কখনো এটি দিনের বেলায় দেখা যায়। কখনো রাতে। কিন্তু কেন এটি উঠছে এবং ডুবছে? এর উত্তর কেবল চাঁদ সম্পর্কে নয়। এটি আমাদের সম্পর্কে।

মূল ধারণা: চাঁদ ওঠে এবং ডুবতে থাকে কারণ পৃথিবী ঘোরে - চাঁদ এত দ্রুত না ঘোরলেও।

এটি আসলে কেন চলে

পৃথিবী প্রতি ২৪ ঘণ্টায় একবার ঘোরে। এটি ঘোরার সময়, এটি আকাশের বিভিন্ন অংশকে দৃশ্যমান করে তোলে। এই ঘূর্ণনটি দেখায় যে চাঁদ, সূর্য, এবং তারা পূর্ব থেকে পশ্চিমে আকাশে চলাচল করছে। কিন্তু আসলে, এটি আপনার নিচের জমি যা চলমান।

চাঁদ পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরে, তবে অনেক ধীরে - প্রতি ২৭.৩ দিনে একবার। এই কক্ষপথটি প্রতিটি চাঁদ ওঠার সময়কে সামান্য পরিবর্তন করে, তবে মূল গতিটি পৃথিবীর ঘূর্ণন থেকেই আসে।

পৃথিবীর ঘূর্ণন কীভাবে আমাদের দেখার জিনিসকে গঠন করে

পৃথিবীর ঘূর্ণনের দিকই ব্যাখ্যা করে কেন চাঁদ প্রায়ই পূর্বে ওঠে এবং পশ্চিমে ডুবে যায়। ঠিক যেমন সূর্য। যদি পৃথিবী অন্যদিকে ঘোরত, তবে এটি বিপরীত দিকের দিগন্তে উঠত।

চাঁদ ওঠা এবং ডুবার প্রভাব ফেলতে পারে এমন জিনিসগুলি

  • পৃথিবীর ঘূর্ণন: আকাশে ওঠা এবং ডুবার মূল কারণ।
  • চাঁদের কক্ষপথ: প্রতিদিন প্রায় ৫০ মিনিটের বিলম্ব যোগ করে ওঠা এবং ডুবার সময়ে।
  • আপনার অবস্থান: আপনি পৃথিবীর কোথায় থাকেন তার উপর নির্ভর করে চাঁদ ওঠার কোণ এবং সময় পরিবর্তিত হয়।
  • বছরের সময়: ঋতু অনুযায়ী চাঁদের পথ সামান্য উত্তর বা দক্ষিণে পরিবর্তিত হতে পারে।
  • ভূদৃশ্য: পাহাড়, ভবন বা গাছ দেখার পথ বন্ধ করে দিতে পারে, ফলে চাঁদ দেরিতে দেখা যায়।

সব কিছুই ঘূর্ণনের মধ্যে

চাঁদ ওঠা এবং ডুবা এলোমেলো নয়। এটি পৃথিবীর ঘূর্ণনের ছন্দ অনুসরণ করে। একবার আপনি এটি বুঝে গেলে, আকাশ আরও অনেক বেশি বোঝা শুরু করে। এবং পরের বার আপনি যখন চাঁদকে দিগন্তের উপর উঠতে দেখবেন, আপনি বুঝবেন এটি আসলে আপনি নিজেই ঘুরছেন।